বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাঘায় কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ

বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘায় প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে একাধিবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা উপজেলার ঝিনা দক্ষিনপাড়া মহল্লার আব্দুস সালামের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩১) কে আসামী করে বাঘা থানায় ধর্ষনের মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে বাঘা থানায় এজাহার হিসাবে রের্কডভ’ক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘার ওই কলেজ ছাত্রীর সাথে শহিদুল ইসলাম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শহিদুল ইসলাম ওই ছাত্রীর বাসায় ও বিভিন্ন স্থানে শহিদুল ইসলাম ওই ছাত্রকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এরপর বাদিনী তাকে বিয়ের করার প্রস্তাব দিলে শহিদুল বাদিনীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।
এই ঘটনায় ওই ছাত্রী ২৮ এপ্রিল বুধবার বিয়ের দাবিতে শহিদুলের বাড়িতে রাতে গিয়া উর্ঠি শহিদুলকে তার বাড়িতে পাই নাই। তখন কলেজ ছাত্রী শহিদুলের পিতা-মাতা ও তার ভাইকে অবগত করি। তারা আমাকে ঘাড়ে,পীঠে,শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কিল, ঘুষি মারপিট করিয়া বাড়ী হইতে তাড়াইয়া দেয়। শহিদুলের সাথে আমাকে বিবাহ দিবেনা বলিয়া তাড়াইয়া দেয়। কিন্তু শহিদুল আমাকে বিবাহ করিবে বলিয়া প্রেম প্রেম করে ও আমার সহিত একাধিকবার যৌন সম্পর্ক করিয়াছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য প্রধান আসামী শহিদুলের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। শহিদুলের মা সালেহা বেগম বলেন, তাঁর ছেলে শহিদুল কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।
এদিকে ছাত্রীর পিতা জানান ওই লম্পট শহিদুল ইসলাম একাধিক মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের জালে জড়িয়ে তার জীবন নষ্ট করেছে।
বাঘা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রেখেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কলেজ ছাত্রকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *