সাপাহারে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিরোধীয় সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণ

সাপাহার(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার শিরন্টি ইউনিয়নের গোপালপুর (হরতকী)গ্রামে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিরোধীয় সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ইটের বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলার গোপালপুর মৌজার খতিয়ান নং আর এস-২১৮/৩,হাল -১২০৭ নং দাগের ৭০ শতক জমির মধ্যে ৫৫ শতক উত্তর পুর্বাংশের সম্পত্তি নিয়ে ওই গ্রামের মৃত: মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এর ওয়ারিশগণের সাথে একই গ্রামের মৃত: আব্দুল খালেক এর দুই ছেলে আব্দুর রফিক(৪০) ও বেলাল(৩৫) এবং নিজামুদ্দীনের ছেলে বাসেদ(৫০) এর মধ্যে দির্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির খতিয়ান ভুক্ত দাবিদার মো: আলী আকবর নওগাঁ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশী সম্পত্তি নিয়ে ৪৯৮পি/২০২০(সাপা) ধারা -১৪৪/১৪৫ নং একটি মামলা দায়ের করেন।
গত ১১ ফেব্রুয়ারী/২০২১ বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলা সংক্রান্তে আদেশ করেন যে নালিশী সম্পত্তিতে শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা সাপাহার থানা , নওগাঁ কে নির্দেশ প্রদান করেন। থানা পুিলশ বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক গত ১৫ ফেব্রুয়ারী উভয় পক্ষকে উক্ত সম্পত্তিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রেখে বিজ্ঞ আদালতের পরবর্তি আদেশের অপেক্ষায় থাকার জন্য নোটিশ প্রদান করেন।
এ দিকে প্রতিপক্ষের আব্দুর রফিক দিং বিজ্ঞ আদালতের জারীকৃত নির্দেশনা অমান্য করে উক্ত সম্পত্তির উপর ইট দিয়ে বাড়ি ঘর নির্মান কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় বিবাদমান দুপক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা দেখা দেয়। এ বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশ কে অবগত করা হলে থানা পুলিশ সরেজমিনে বেশ কয়েকবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলেন।এ দিকে পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে প্রতিপক্ষের লোকজন গত সোমবার আবারও নালিশী সম্পত্তির উপর ইটের ঘর বাড়ি নির্মান কাজ তারা অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের রফিকুল দাবি করেন,ওই সম্পত্তি তারা হাজী আব্দুস সামাদের নিকট থেকে ক্রয় করেছিলে।তারা দীর্ঘ দিন ধরে সেখানে বাড়ি ঘর তৈরী করে ভোগদখলে আছেন। জোর করে তিনি কারো সম্পত্তি দখল করেননি। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের ব্যাপারে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে কৌশলে ওই প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।
এবিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তারেকুর রহমান সরকার বলেন,ওই সম্পত্তি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *