বাগমারার আলোচিত ভাইস চ্যান্সেলরের মামলা খারিজ

বাগমারা প্রতিনিধি: বাগমারার কথিত অর্জুনপাড়া মদিনাতুল উলুম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বঘোষিত ভাইস চ্যান্সেলর ড. রফিকুল ইসলামকে হয়রানী ও হুমকি প্রদানের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলাটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে। হিসাব নম্বরে অর্থ থাকলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা প্রদানে বাধ্য থাকবে মর্মে রাজশাহীর ২নং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হুসাইন মামলাটি খারিজ করে দিয়ে সোনালী ব্যাংক ভবানীগঞ্জ শাখার ম্যানেজারসহ প্রতিপক্ষদের মামলার দায় হতে অব্যাহতির আদেন দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, অমউইবি’র (অর্জুনপাড়া মদিনাতুল উলুম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়) ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো: রফিকুল ইসলাম গত বছরের ৮ অক্টোবর দুপুর ২ টার সময় সোনালী ব্যাংক লি: ভবানীগঞ্জ শাখায় তার প্রতিষ্ঠানের সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৩৪০০১৩৮৭ এর অনুকূলে মঞ্জুরীকৃত টাকা লেনদেন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আহম্মেদ তারিক হাসান এবং সিকিউরিটি গার্ড সিদ্দিকুর রহমান, আলমগীর হোসেন ও আব্দুর রশিদ টাকা না দিয়ে তার সঙ্গে অসংলগ্ন অচরণ করেন এবং তাকে মেরে হাত-পা ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দিয়ে ব্যাংক থেকে বের করে দেয়া দেন। এই ঘটনায় ১৯ অক্টোবর ২০২০ ইং তারিখে অর্জুনপাড়া মদিনাতুল উলুম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো: রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনালী ব্যাংক লি: ভবানীগঞ্জ শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার আহম্মেদ তারিক হাসান এবং সিকিউরিটি গার্ড সিদ্দিকুর রহমান, আলমগীর হোসেন ও আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকেও আইনজীবির মাধ্যমে আদালতে লিখিতভাবে জবাব দেয়া হয়।
দীর্ঘ শুনানি শেষে বাদীর বর্ণিত আর্জি অনুযায়ী তার নামীয় হিসাব নম্বরে বর্ণিত পরিমান ব্যাংক হিসাব নম্বরে অর্থ থাকলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা প্রদানে বাধ্য থাকবে মর্মে আদারতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি খারিজ করে দিয়ে মামলার দায় হতে প্রতিপক্ষদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
এদিকে এক প্রতিক্রিয়ায় মামলার বাদী ড. রফিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, আদালতের এই রায়ের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হিসাব নম্বরে এখন থেকে অর্থ লেনদেনে আর কোনো সমস্যা হবে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *