বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে স্বীকৃতি পাওয়ায় বাঘা থানা পুলিশের উৎসব

বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি : স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উপলক্ষে দেশব্যাপী প্রথম বারের মতো পালিত হচ্ছে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। আজকের এই দিনের তাৎপর্য এবং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণে জাতীসংঘের সুপারিশ পাওয়ায় রাজশাহীর বাঘা থানা পুলিশের উদ্যোগে রবিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আনান্দ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি)নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত আনান্দ উদযাপন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটা মাহেন্দ্রক্ষণ এবং ঐতিহাসিক অর্জন। বিগত ৫০ বছরে পৃথিবীর ইতিহাসে মাত্র ৫ টি দেশ এটি অর্জন করতে পেরেছে। এ তালিকায় তিনটি সর্ত পুরণের মধ্য দিয়ে চলে এসছে বাংলাদেশ। এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশ আজকের দিনে দেশের প্রতিটি থানায় নানা কর্মসুচী গ্রহন করেছেন।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে যে আগাম বার্তা নিয়ে এসেছিল সে বার্তায় আমরা আজ মুক্ত এবং স্বাধীন দেশের নাগরিক। আমাদের নিজস্ব পতাকা আছে, আছে একটি মানচিত্র। আমরা গর্ভবোধ করি বিশ্বের ইতিহাসে যে ৭ টি ভাষন সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষন অন্যতম। এ ভাষন ইতোমধ্যে ১২ টি ভাষায় বিশ্লেষন করা হয়েছে। এ জন্য এই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন বর্তমান সরকার ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এড: লায়েব উদ্দিন লাভলু, জেলা আ’লীগের সদস্য ও বাঘা পৌর সভার সাবেক মেয়র আক্কাছ আলী, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাক্ষ নছিম উদ্দিন, পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ ও বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান।
উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, নারী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ-সহ এলাকার সুধী মহল।
সব শেষে একটি মনঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিশু একাডেমি-সহ কয়েক জন অতিথি শিল্পী। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন উড়ানো এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *