বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সংস্কার কাজে ধীরগতি, বিপাকে ডাক্তার ও রুগী !

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :  রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র মেরামত ও সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে ১৪ মাস পুর্বে। এটি সম্পুর্ণ করার মেয়াদ ছিল ৬ মাস। বর্তমানে কাজের যে অবস্থা তাতে চল্লিশ ভাগ শেষের পথে । বাঁকি ৬০ ভাগ কাজ কবে শেষ হবে তা বলতে নারাজ ঠিকাদার। চাইলে অভিযোগ করতে পারেন বলে জানিয়েদেন তিনি। এ অবস্থায় একদিকে স্বাস্থ্যসেবা ব্যহত হচ্ছে। অপর দিকে চরম হতাশা ও বিপাকে রয়েছেন ডাক্তারগণ। কারণ তাদেরকে এখন শীক্ষার্থীদের ন্যায় গাদা-গাদি করে অফিস করতে হচ্ছে।
সরেজমিন বৃহস্পতিবার(২১-জানুয়ারী)দুপুরে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে গিয়ে দেখা গেছে একটি কক্ষে তিনজন ডাক্তার চিকিৎসা দিচ্ছেন। কারণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য প্রতিটি রুম এখন জরাজির্ণ।এতে করে একদিকে যেমন ডাক্তারগণ বিড়ম্বনা পোহাচ্ছেন অপর দিকে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন রুগীরা।
চলছে টাইলস বসানো থেকে শুরু করে সেনিটেশান, বিদ্যুৎ সরঞ্জম ও পানি সরবরাহের কাজ। এ দিক থেকে রাতের বেলায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে দেখা মিলবে ভুতড়ে অন্ধকার। কারণ কোন-কোন স্থানে হোল্ডার থাকলেও সেখানে বাল্প নেই। আবার কিছু-কিছু ওয়ালে বোর্ড লাগানো থাকলেও সেখানে সুইজ নেই। অপর দিকে ৬ বছর পুর্বে নির্মানকৃত ভবনের ওটিরুম থেকে খুলে পড়ছে ওয়ালে লাগানো অসংখ্য টাইলস।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান বলেন, ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ পুরাতন এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রটি মেরামত ও সংস্কার এর জন্য ২০১৯ সালে ৬৬ লাক্ষ টাকা টেন্ডার হয়। এই কাজটি পান সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত “নুর এন্টার প্রাইজ’’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরে ক্রয় সূত্রে জানুয়ারী ২০২০ এ কাজটি শুরু করেন রাজশাহী জেলার বানেশ্বর এলাকার ঠিকাদার আকাশ। তিনি অত্যান্ত ধীর গতিতে এ কাজ সম্পন্য করছেন। মানও বিশেষ ভালো নয়। মাঝ খানে পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ নিয়ে রুগীদের চরম দুর্ভোগ গেছে। তিনি বলেন, ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ সম্পন্য করার কথা বললে পরের দিন লেবার সংখ্যা আরো কমে যাই। এ বিষয়ে তিনি উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে ঠিকাদার আকাশ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কাজের সময় সীমা বাড়ানো হয়েছে। তবে সেই বর্ধিত কাগজ তিনি দেখাতে পারেননি। যে ভাবে কাজ চলছে-ঠিক সে ভাবেই চলবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *