জেলা যুব মহিলা লীগের নির্বাচনী প্রচারনায় বাধা দেয়ার অভিযোগ

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্তার আলীর এলাকায় গনসংযোগ করতে এসে বাধা ও লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছে রাজশাহী যুব মহিলা লীগের সদস্য মেমরী খাতুত। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুক্তার আলীর কর্মী-সমর্থকরা।
উপজেলা রির্টানিং অফিসার ও থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটের সময় রাজশাহী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা বিপাশা খাতুনের নেতৃত্বে একদল কর্মী আড়ানী পিয়াদা পাড়া ও সাহাপুর গ্রামে গিয়ে গনসংযোগ সহ বাড়িতে-বাড়িতে ভোট চাচ্ছিলেন। এ সময় নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মুক্তার আলীর সমর্থক মিলন, সেলিম, বিদ্রুৎ ,রাজন, রাজু, বকুল,ফারুক সহ আরো অনেকে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালাই এবং গাল-মন্দ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার এক পর্যায় জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা বিপাশা খাতুনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এ সময় অন্যান্য নেত্রীরা তাকে উদ্ধার করতে গেলে মেমরী খাতুনের শাড়ি টেনে ছিড়ে ফেলে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন পিয়াড়া-পাড়া ও শাহাপুর গ্রামে গিয়ে জানা যাই, (দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত ভোট করার নির্দেশ রয়েছে। এ দিক থেকে তারা আচারণ বিধি লংঘন করে ভোট চাইতে গিয়ে ছিল সকাল ১১ টায়। এ সময় বাড়িতে-বাড়িতে ভোট চাওয়ার সময় অনুমতি না নিয়ে তাদের সাথে থাকা দু’জন ফটোগ্রাফার বাড়ির মহিলাদের ছবি তোলেন। এ সময় বিনা অনুমতিতে ছবি তোলা নিয়ে ওই দুই ফটো গ্রাফারের সাথে কথা কাটা-কাটি হয় মুক্তার আলীর কর্মীদের। সেখানে শাড়ি ছেড়ার কোন ঘটনা ঘটিনি বলে তারা উল্লেখ করেন
মুক্তার আলী স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, আমি আ’লীগের দলীয় প্রার্থী শাহিদুজ্জামান শাহীদের শেয়ার করা একটি অনলাইন পোর্টাল নিউজে পড়েছি। সেখানে শাহীদের মুখের বক্তব্য, বেলা ১২ টায় প্রচারনার নামার কথা উল্লেখ আছে। এখানে সাংবাদিকেদের উপর হামালা কথাও তিনি বলেছেন। কিন্তু বাস্তব অর্থে ফটোগ্রাফারদের উপর কোন প্রকার হামলা করা হয়নি। যদি তাই হতো, তাহলো তারা মামলা করতে পারতেন। আমি চাই ঘটনাটি সুষ্ঠ ভাবে তদন্ত করা হউক।
এ বিষয়ে দলীয় প্রার্থী শাহিদুজ্জামান শাহীদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি সরকারি দলের প্রার্থী। আমার কর্মীদের বাধা নেয়ার অধিকার বিদ্রোহী প্রার্থীর নেই। তিনি এ ঘটনায় জরুলী আইনী ব্যবস্থা না পাওয়ায় প্রশাসনের দিকেও অভিযোগের আঙ্গুল তুলেন। #
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনা স্থালে পুলিশ পঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *