বাঘায় অপহরণের পর স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার

বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহী বাঘায় ৭ ম শ্রেনী পড়া এক স্কুল ছাত্রী অপহরণের পরে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মাঝে মধ্যে ইপটিজিং কারার এক পর্যায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঐ ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় মেয়ের পিতা বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার চকরাজাপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে নয়ন (১৮) একই গ্রামের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রথমে ইপটির্জি ,এরপর বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু বিয়েতে এই মেয়ের পরিবার রাজি না থাকায় গত ২৪ ডিসেম্বর বখাটে নয়ন ঐ স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনার ৪ দিন পর অত্র এলাকার জহুরুল ইসলাম নামে একজন পল্লী চিকিৎসক ঐ স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে সোমবার রাতে বাঘা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় ঐ মেয়ের পিতা অভিযুক্ত নয়নসহ তিন জনকে আসামী করে বাঘা থানায় মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে আইনে একটি মামলা ধর্ষণ ও অপহরণ দায়ের করেন।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। মামলার পর ঐ স্কুল ছাত্রীকে গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। আসামী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *