মোহনপুরে পশুর হাটে উঠে দুইটি গরু

এম এম মামুন : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট গরু কয়-বিক্রয়ের এলাকার অন্যতম হাট। এ হাটে কোরবানীর মওসুম ছাড়ায় গরু-ছাগলসহ অন্যান্য পশু ক্রয়-বিক্রয় চলে  বছরজুড়ে। দেশে করোনা মহামারির কারনে সরকারি ভাবে বিধিনিষেধ থাকলে গত শনিবার থেকে স্বাস্থ্য মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে অল্প পরিসরে পশু হাটে বসানোর জন্য নির্দেশনা পেয়ে হাট ইজারাদার মাইকিং করে প্রচার চালাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাটে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

গত শনিবার ( ১০ জুলাই ) কেশরহাটে কোরবানীর পশু হাটে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ক্রেতার উপস্থিত ৫০/৬০ জন থাকলেও  মোহনপুর  উপজেলার অাতানরায়নপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম নামে মাত্র একজন বিক্রেতা ২টি  গরু নিয়ে হাটে আসে। একটি ছিল ষাঁড় ও অন্যাটি ছিল গাভী। ওই দুইটি গরুকে ঘিরে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা যায়।

কেশরহাট পৌরসভা হাট থেকে গতকাল শনিবার পশু কিনতে আসে তানোর আতিকুর রহমান বলেন, প্রতি বছর এ হাট থেকে কোরবানীর পশু করে থাকি। সেই জন্য এবারের গরু ক্রয়ের জন্য হাটে এ সে দেখি মাত্র দুইটি গরু উঠেন। তাই পরের সপ্তাহে কিনবো। আজ ফেরৎ যাচ্ছি।
গরু ব্যবসায়ী হাশেম আলী জানান, সারা বছর ঠুকঠাক ব্যবসা চললেও কোরবানীর সময় ভালো ব্যবসা হওয়ার আশা করি। কিন্ত গত বছর থেকে মহামারি করোনার জন্য সরকারী বিধিনিষেধের জন্য হাতে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম হওয়ায় ব্যবসা ভালো হয়নি। করোনা বেড়ে যাওয়ায় এ বছরও একই অবস্থা।

কেশরহাটের প্রধান ইজারাদার সাইদুর রহমান জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে হাট বন্ধ ছিলো। স্বাস্থ্য নেমে স্বল্প পরিসরে পশু হাট বসানোর অনুমোতি পাওয়ায় হাট কমিটি পশু আমদানীর জন্য ব্যপক প্রচার-প্রচারণঅ মাইকিং করেও গত  শনিবার পুরো হাট মিলে মাত্র দুইটি  গরু আমদানী হয়েছে।  তিনি আরো বলেন, পরিবেশ খারাপ হওয়ায়র কারনে ভয়ে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা আসছে না। এ সময় যে হাটে হাজার হাজার গরু আমদানী হতো। সেই হাটে মাত্র দুইটি গরু। পশু আমদানী না হওয়ায় অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *