ভূমি কর্মকর্তার মদদে চলছে,  শিক্ষকের পুকুর খনন-মাটি বিক্রিয়

রাজশাহী প্রতিনিধি :- রাজশাহীর বাগমারা ও মোহনপুরের সীমান্ত এলাকায় ভূমি কর্মকর্তার মদদে স্থানীয় একটা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের  সহোযোগিতা পুকুর খনন করে মাটি বিক্রির মহা উৎসব চলছে। উপজেলার মির্জাপুর গ্রামে এ পুকুর খনন করে সরকারি রাস্তা নষ্ট করে মাটি বিক্রি করছেন তিনি।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, রাস্তার পাশে এ্যাক্সেভেটর (ভেকু) ম্যাশিন দিয়ে মাটি খনন করে তা অবৈধ ট্রাক্টর করে ভাবনীগঞ্জ টু কেশরহাট রোডের উপর দিয়ে পরিবহন করছে। এতে ট্টাক্টার থেকে কাদা মাটি পড়ে নষ্ট হচ্ছে রাস্তা। রাস্তায় কাদা মাটি পড়ে থাকায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসিরা।
একাধিক এলাবাসিরা বলেন, পুকুরের মালিক তৌফিক উদ্দিন, উপর মহলের ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে এ পুকুর খনন করছেন। আর সাথে মাটি বিক্রির কাজে সহোযোগিতায় রাখছেন মুগাইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ উদ্দিন। তার দাপটে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেননা।
স্থানীয়রা বলছেন, বর্তমানে আমরা নিরুপায়, তবে সরকারি রাস্তায় কাদা মাটি পড়ে থাকায় আমাদের যাতাযাত ব্যবস্থা ব্যপক ঝুকিতে আছে।
মুগাইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজ উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তৌফিক উদ্দিন আমার সম্পর্কে ভাই, তাই তার কাজে সহোযোগিতা করছি মাত্র।
এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরীর বলেন, বিষয়টি আমি অবগত ছিলামনা।ঘটনা স্থলে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে বলেন এই ভূমি কর্মকর্তা।
কিন্তু তিনি ঘটনাটি অবগত হওয়ার ৩দিন অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারনে ঘটনা স্থলে যাননি,এমন কি কোন ব্যবস্থা নেননি। এদিকে ভূমি অফিসের গোপন তথ্যও পুকুর খনন কারীরা জানিয়ে দেয়া হয়। এতে সর্তক হয়ে দিনের বেলায় কাজ বন্ধ রাখা হলেও রাতের আঁধারে  পুকুর খনন ও মাটি বিক্রয় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তৌফিক উদ্দিন।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরীর অভিযানে না আসা এবং দ্বিমূখী আচরনে হতবাক স্থানীয়রা।
এমনি অভিযানের বিষয়ে জানতে চেয়ে বাগমারা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরীর কাছে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরে দ্রুত কেটে দেন,  পরে আবারো একাধিকার ফোন দিলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *