বাঘায় নানার সঙ্গে অভিমান স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পড়া-লেখা করতে বলাই নানার সঙ্গে অভিমান করে সেতু খাতুন নামে অষ্টম শ্রেনী পড়া এক স্কুল ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার(২৪ জুলাই)রাতে উপজেলার বলোরামপুর গ্রামে এই আতœহত্যা ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাত ৯ টায় বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেতু খাতুনের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জরুরী বিভাগে রাখা একটি শয্যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নিবেদিতা চ্যাটার্জি জানান, সেতুকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের আনার পূর্বে সে মারা গেছে।
এ সময় তার খালা জলি বেগম এবং মামি পিংকী বেগম এ প্রতিবেদককে জানান, সেতুর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না। তবে তার নানা নুর ইসলাম (৫৫) ঘটনার পর থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সে পাশ্ববর্তী কেশবপুর স্কুলে অষ্টম শ্রেনীতে পড়া লেখা করতো বলেও উল্লেখ করেন তারা।

এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান, খুব ছোটবেলায় সেতুর মাকে ছেড়ে তার বাবা মোফাজ্জল হোসেন অন্যত্র বিয়ে করেন । সে বাবার এক মাত্র কন্যা ছিলো। এরপর থেকে সেতু তার মাকে সাথে করে নানার বাড়িতে বড় হচ্ছিল। গত তিন বছর আগে তার মা নুরজাহার বেগম পাবনা এলাকার এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। নানা কারনে সে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিল।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নজরুল ইসলাম জানান,এ ঘটনায় একটি অপমূত্যর মামলা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি অতœহত্যা বলেই মনে হচ্ছেছ। নানার সঙ্গে অভিমান করে মেয়েটি আতœহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তারপরও এটি হত্যা না আতœহত্যা সেটি নিশ্চিত করার জন্য লাশ ময়নাতদন্ত করতে রবিবার সকালে লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছেছ। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *