বাঘাতে আমদানি করা হচ্ছে নিম্নমানের খেজুর

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি : রমজানকে ঘিরে রাজশাহীর বাঘাতে আমদানি করা হচ্ছে নিম্নমানের পচা খেজুর। এসব নিম্নমানের পচা খেজুর কিনে ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষেরর নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সচেতন মহল।
অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের বিক্রি না হওয়া সে খেজুর বিক্রি করছে বাঘার ব্যবসায়ীরা। কৃত্রিমভাবে করা হয়েছে চমকপ্রদ ও বাড়ানো হয়েছে স্বাদ। খুচরা দোকানিরা এসব খেজুর কিনে থরে থরে দোকানে সাজিয়ে রেখেছেন। প্যাকেটের গায়ে নেই মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ। খেজুরের স্বাদ বাড়াতে মিষ্টর সিরা ও সরিষার তেল মেশানো হচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মরিয়ম খেজুর ৮০০টাকা, আজওয়া ৬০০টাকা, সাফওয়ী ৪০০টাকা, মোবারম ৫০০টাকা, দারাজ ২৪০ টাকা, ফরিদা ২৮০টাকা, বারবি ও জামিল ৪০০টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ পাইকারি বাজারে এর দাম অর্ধেক। খেজুর ক্রয় করতে আসা গৃহবধু নাহিদা ইয়াসমিন লাকী জানান, খেজুর আড়তে কিনতে গিয়েছিলাম। সে খানে দাম কম হলেও খুচরা খুচরা বিক্রি করতে রাজি নন তারা। তাই খুচরা বাজারে বেশি দামে কিনছি। আল-আমিন ফল ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মাসুদ রানা বলেন, তার আড়তে প্রচুর পরিমাণে ভালো মানের খেজুর আমদানি করা হয়েছে। দামও গত বছরের তুলনায় কম।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা জানান, রমজান উপলÿ্যে নিত্যপণোর বাজার থেকে শুরু করে ফলের আড়তে অভিযান পরিচালনা করা হবে। গোপনে কেউ যদি খেজুর আমদানি ও বিক্রি করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *