প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করার লক্ষ্যে প্রচার মিছিল ও পথ সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা’র জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শাহ্ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) বিকাল ৫টায় নগরীর বিমান চত্বর মোড় থেকে প্রচার মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নওদাপাড়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমÐলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জননেতা এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জননেতা এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ৫ বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীতে আসছেন। এই ৫ বছর সহ গত পনের বছরে তিনি বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে গেছেন, তা অনেকের কাছে অবাক বিস্ময়। আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারতও আমাদের উন্নয়ন দেখে বিস্মিত। পাকিস্তানের বতর্মান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ গত পরশু বলেছেন, ‘পারমানবিক অস্ত্র আমাদের আছে। আমাদের নিজেদেরকে গরীব মনে হয়।’ পাকিস্তানীরা এখন স্বীকার করছে তারা ফকির, তারা গরীব। আর বাংলাদেশ উন্নয়নের শিখরে তরতর করে উঠে যাচ্ছে। এখনো যারা এদেশে বসবাস করে উন্নয়ন চোখে দেখে না, উন্নয়ন স্বীকার করতে চায় না, পদ্মা সেতুকে দেখতে পায় না, মেট্রোরেলকে দেখতে পায় না, কর্ণফুলী টানেলকে দেখতে পায় না, যারা রূপপুরে পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোন খবরই রাখে না, যারা ফোরলেন, সিক্সলেন, এইটলেন সড়কের কোন কিছুই বুঝতে পারে না, তারা আসলে চোখ থাকিতে অন্ধ, হায়রে কপাল মন্দ। তাদেরকে এইটা বলা ছাড়ার আর কিছু বলার নাই।

মেয়র আরো বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা দেশের যতই উন্নয়ন হোক না কেন, বিএনপি-জামায়াত কখনো তা দেখতে পাবে না। কারণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তাদের ইর্ষা-বিদ্বেষ। আওয়ামী লীগের দ্বারা দেশবাসীর ভালো হোক, কল্যান হোক, তারা সেটি চায় না। সেই কারণে তারা গাছ কাটে, রেললাইন উপড়ে ফেলে, রাস্তা কাটে, কোরআন শরীফ পুড়িয়ে দেয়, মানুষের দোকানে লুটপাট করে, হাতপায়ের রগ কেটে দেয়, গলাকেটে মানুষকে হত্যা করে-এই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত-শিবির। সেই কারণে আবারো তারা অযৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে।

মেয়র আরো বলেন, দেশে কেয়ার টেকার সরকারের আর প্রয়োজন নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্ট সেটি বলে দিয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশে যেভাবে ক্ষমতাসীন সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন হয়, আগামীতে বাংলাদেশেও সেইভাবে নির্বাচন হবে।

এ সময় জননেতা এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন আগামী ২৯ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র জনসভায় যথাসময়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদানের জন্য আহŸান জানান।

আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য বেগম আখতার জাহান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার। সভাপতিত্ব করেন শাহ্ মখদুম থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আখতারুল আলম। সঞ্চালনা করেন শাহ্ মখদুম থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহাদত আলী শাহু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি নাঈমুল হুদা রানা, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আহ্সানুল হক পিন্টু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ ডলার, সদস্য হাবিবুর রহমান বাবু, শাহাব উদ্দিন, ইউনুস আলী, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন সহ নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *