পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বাঘাপৌরসভার প্যানেল মেয়র পিন্টুর ৫শত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোঃ লালন উদ্দীন, বাঘা,রাজশাহী : সারা বিশ্বের কাছে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনা। এটি ভয়ঙ্কর এক অদৃশ্যশক্তি। এর ভয়াল থাবায় গ্রাস হচ্ছে সারাবিশ্ব। যার কালো থাবায় অকালে প্রান হারাচ্ছে দুগ্ধ শিশু থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধ বনিতা। এই মহামারির রোগের কারনে সরকার ইতোমধ্যে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষনা করেছেন। এতে বিপদে রয়েছেন সমাজের অসহায় মানুষ। যাদের মুখে এক মুঠো অন্য তুলে দিচ্ছেন বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু।

তিনি করোনার প্রথম ঢেউ-এ এলাকার অসহায়-দুস্থদের মাঝে নিজেস্ব অর্থায়নে খাবার বিতরণ করেন, এরপর শীত মৌসুমে দিয়েছেন শীত বস্ত্র, অত:পর রমজানের ঈদে দিয়েছেন তিন হাজার মানুষকে ঈদ বস্ত্র ।সর্বশেষ শনিবার(3-জুলাই) করোনার দ্বিতীয় ঢেউএ প্রায় উপজেলা আ’লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রায় পাঁচশত কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দেন চাল-ডাল ও আলু। তাঁর এ কার্যক্রমকে স্বাগতম জানান এলাকার সুধী মহল।

স্থানীয় লোকজন জানান, মানবিকতা এখন মানুষের মধ্যে তেমন দেখা যায় না। সবাই নিজের জন্য সব কিছু করা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। এমন মানুষের ভিড়ে দেশে এখনো কিছু মানুষ আছেন, যারা নিজের পাশা-পাশি অন্য মানুষদের নিয়েও ভাবেন। এমন একজন মানুষের নাম শাহিনুর রহমান পিন্টু। পিতা মসলেম উদ্দিন সরকার। তার পরিচয়, তিনি বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র এবং একজন ঠিকাদার। তার কাছে কোনো অসহায় মানুষ সাহায্যের জন্য গেলে খালি হাতে ফিরত এসছে এমন নজির নেই।

সমাজের অভিঙ্গ মহলদের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে শুরু করে যে কোন উৎসবে বাঘায় গরিব ও অসহায় মানুষদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাহায্য করে থাকেন স্থানীয় সংসদ ও বর্তমান সরকারের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এরপর যারা নিজ উদ্যগে মানুষের পাশে দাঁড়ান তাঁদের মধ্যে অন্যতম আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী ও বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু ।মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ-এ সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান অনেকে।

সামাজিক কর্যক্রমের বিষয়ে শাহিনুর রহমান পিন্টু বলেন, আমাদের স্থানীয় সাংসদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের নির্দেশনায় করোনা কালিন সময়ে দোকান বন্ধ রাখা চা-বিক্রেতা, নাপিত ও ঋষী পরিবারের মাঝে শনিবার দুপুরে আমি সামান্য কিছু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি।

তিনি বলেন,আমার জীবনটা কষ্ট দিয়ে শুরু। আমি কষ্ট পেয়েই বড় হয়েছি। সে কারণে আমি মানুষের কষ্ট বুঝি। তিনি বলেন, আমি যত দিন বেঁচে থাকব তত দিন অসহায় মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আমার আয়ের একটা অংশ সব সময়ের জন্য সমাজের অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *