চারঘাট-বাঘায় পালস অক্সিমিটার দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাঘা(রাজশাহী) প্রতিনিধি : মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কায় হাজার-হাজার মানুষের প্রান চলে যাচ্ছে। এটি প্রতিরোধের জন্য সর্বচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।তাদের সুরক্ষা ও সংক্রমণ মোকাবেলায় গতবছর স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান-সহ সাধারণ মানুষের মাঝে দলীয় নেতা-কর্মীদের হাত দিয়ে হাজার-হাজার মাস্ক এবং খাদ্য সামগ্রী বিতারণ করে ছিলন (চারঘাট-বাঘার)সাংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

এবার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় রুগীদের প্রয়োজনে তাঁর নির্বাচনী এলাকার দুটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র সহ ৪০ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য উপহার দিলেন ৬০ টি পালস অক্সিমিটার। মঙ্গলবার (২২-জুন) দুপুরে দুই উপজেলার দলীয় নের্তৃবৃন্দের মাধ্যমে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও)দের হাতে এই উপকরণ তুলে দেন। এটি পেয়ে মন্ত্রী মহাদ্বয়কে ধন্যবাদ জানান চিকিৎসকগণ।।

বাঘা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাশেদ আহমেদ বলেন,করোনা ভাইরাসের এই সময়ে ‘পালস অক্সিমিটার’ নামক যন্ত্রটির জনপ্রিয়তা বেড়েছে উল্লেখ যোগ্য মাত্রায়। গ্লোভস, মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, ব্লিচিং পাউডার, সামাজিক দূরত্ব- ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে এই মহামারীর সময়ে আমরা সবাই পরিচিত হতে পেরেছি। এ দিক থেকে ‘পালস অক্সিমিটার’ নামক যন্ত্রটির কথাও ইতোমধ্যে অনেকেই শুনেছেন। এই যন্ত্রটির কাজ হলো- রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ও হৃদস্পন্দনের গতি নির্ণয় করা।

তিনি বলেন, হাতের আঙুলে ‘ক্লিপের সাহায্যে লাগানো হয় এ যন্ত্রটি এবং করোনাভাইরাস আসার আগে এটি ব্যবহার করতেন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত মানুষ গুলো। তবে বর্তমানে এটি ব্যবহার হচ্ছে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছে কি-না সেদিকে নজর রাখার জন্য, যা করোনা ভাইরাসের প্রভাবে হয়ে থাকে। তিনি বাঘায় ২০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র-সহ ৩০ টি ‘পালস অক্সিমিটার’ পেয়ে দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মহাদ্বয়কে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন।

এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র এ উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন ও সিরাজুল ইসলাম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির এবং উপজেলা আ’লীগের সদস্য মাসুদ রানা তিলু সহ কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ ও স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *