গোদাগাড়ীতে হতদারিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি চাউল বিতরণ কার্ডের জন্য ২০০ টাকা করে আদায় করছে ডিলার

গোদাগাড়ী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে হতদারিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি চাউল বিতরণ কার্ডের জন্য ২০০ টাকা করে আদায় করছে ডিলার। গোদাগাড়ী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সুত্রে জানাযায় উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে হতদারিদ্রদের জন্য প্রতি কেজি ১০ টাকা মূল্য চাউল বিতরণ কর্মসুচির আওতায় ১ হাজার ১৯০ জনকে কার্ড প্রদান করা হয়। এই জন্য চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের,চর নওশোরা ও চর ভুবন পাড়ায় দুইজন ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিমাসে কার্ডধারীরা নিয়োগকৃত ডিলার হুমায়ন কবির ও জবিয়ার রহমানের কাছ থেকে ১০ টাকা প্রতি কেজি মূল্য পরিশোধ ৩০ কেজি করে উত্তোলন করে। কার্ডে ছাপানো ছকে স্বাক্ষর করায় কার্ডের নিদিষ্ঠ ছক গুলি পুরণ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে কার্ডের প্রয়োজন। নতুন করে কার্ড দেওয়ার কথা বলে প্রতিজনের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করছে এই দুই ডিলার। চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ভুবনপাড়া গ্রামের ৪৬৩ নং কার্ডধারী রবিউল ইসলাম বলেন,তার কাছ থেকে দুইটি কার্ডের জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছে ডিলার হুমায়ন কবির। চর নওশোরা গ্রামের ৮৪৮ নাং কার্ডধারী জহিরউদ্দীন বলেন, তার কাছ থেকে একটি কার্ডের জন্য ২০০ টাকা নিয়েছেন ডিলার জবিয়ার রহমান। চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ৮ সং ওয়ার্ডের সদস্য(মেম্বার) আব্দুল গনি টাকা আদায়ের নিশ্চিত করে বলেন,টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ডিলারকে বলা হয়েছে।কিন্তু দুইজন ডিলার কয়েকজনের টাকা ফেরত দিলেও অধিকংশই কার্ডধারীর টাকা ডিলাররা নিজেদের কাছ রেখে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জামালউদ্দীন বলেন,কার্ড সরবারহ করে থাকে সরকার। এইজন্য কার্ডধারীদের কাছ কোনভাবে টাকা নেয়া যাবে না। এদিকে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের ভুবনপাড়া গ্রামের খাইরুল ইসলামের ছেলে আবু বাক্কার দুই ডিলারের বিরুদ্ধে টাকা আদায়সহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দিয়েছে। আবু বাক্কার অভিযোগ করেন,ডিলার হুমাময়ন কবির  ওজবিয়ার রহমান চাউল ওজনে কম দেয়াসহ কার্ডধারীদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে। ভুবনপাড়া গ্রামের ৩০১ নং কার্ডধারী ভপেন রবিদাস কয়েকবার গিয়েও চাউল পায়নি।এক পর্যায়ে ভপেন রবিদাসকে অনুস্থিত দেখিয়ে তার জায়গায় অন্য একজন চাউল দিয়েছে ডিলার হুমাময়ন কবির। এ প্রসেঙ্গ ডিলার জবিয়ার ও হুমায়ন কবির  তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করে বলেন,কার্ডের জন্য নেয়া টাকা ফেরদ দেয়া হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানে আলম বলেন,দুইজন ডিলারের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা।

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *